গল্পঃ দ্বিতীয় বাসর | পর্বঃ (১২)
তৃষার কথাঃ
মেঝেতে পা দিতেই একটা তীব্র ব্যথার অনুভূতি আমার মস্তিস্কের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হল । মুখ দিয়ে আপনাআপনিই একটা অস্ফুট চিৎকার বের হয়ে এল । ডাক্তার শিউলি আমার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন । তিনি আমার হাত ধরে ফেললেন । তারপর বললেন,
-খুব বেশি ব্যথা করছে ?
আমি কোন কথা না বলে কেবল মাথা ঝাঁকালাম । চেষ্টা করছি যেন চোখ দিয়ে পানি না বের হয় । পানি বের হলে খুব লজ্জার ব্যাপার হয়ে যাবে । এতো বড় মেয়ে যদি এই সামান্য ব্যাপারে কান্না করে তাহলে সেটা লজ্জার ব্যাপারই বটে ।
ডাক্তার শিউলি বললেন,
-এখনও এনেস্থেশিয়ার প্রভাব কাটে নি পুরোপুরি । তাতেই ব্যাথা করা শুরু হয়ে গেছে । পুরোপুরি কাটলে তো আরও খারাপ অবস্থা হবে !
ব্যাপারটা আমি নিজেও বুঝতে পারছিলাম । আগে বুঝতে পারি নি যে পায়ের অবস্থাটা এতো খারাপ হবে । বাইরে থেকে তো বোঝাই যাচ্ছিলো না । ডাক্তার ম্যামও বলেছিলো যে খুব ছোট একটা অপারেশন হবে ।
বেশ কয়েকদিন আগে হলের সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে ব্যথা পেয়েছিলাম পায়ের আঙ্গুলে । ব্যথাটা কমে গিয়েছিলো তবে ভেতরে ভেতরে সম্ভবত কিছু একটা হয়েছিলো । ডাক্তারের কাছে দেখাতেই ডাক্তার বললেন ভেতরে সম্ভবত ইনফেকশন হয়েছে । কেটে বাদ দিতে হবে । আর বলেছিলেন খুবই ছোট একটা অপারেশন হবে । আমিও এটা ভেবে আর কাউকে নিয়ে আসি নি । নিলয়কে সেদিন বলতে চেয়েছিলাম তবে ওর ক্লাস আর টিউশনীর কারণে আর কিছু জানাই নি । কেবল আব্বুকে বলেছিলাম । কিন্তু আজকে এখানে অপারেশন শেষে ডাক্তার আপা বললেন যে অবস্থা বেশ খারাপ হয়েছে ভেতরে । বেশ খানিকটা কাটাকুটি করতে হয়েছে । যদিও ব্যান্ডেজ করে দিয়েছে তবে ব্যথা হচ্ছে খুব । বিশেষ করে হাটতে গেলেই চাপ পড়ছে আর ব্যথা বাড়ছে ।
ডাক্তার শিউলী বললেন,
-তোমার সাথে কেউ আসে নি ?
-জ্বী না !
-বোকা নাকি তুমি ! যতই ছোট অপারেশন হোক না কেন, কাউকে সাথে করে নিয়ে আসবে না ?
ভুলটা সত্যিই হয়েছে আমার । কাউকে সাথে করে নিয়ে আসাই দরকার ছিল । রুমমেট নাহার আপুকে বললেই হত । সে চলে আসতো । অথবা নওরিন কিংবা রিমিকে বললেও ওরা চলে আসতো ! আজকে অবশ্য ওদের কারো ক্লাস নেই । বাসা থেকে আসতে হবে বলেই ওদের বলি নি ।
নাহার আপুকে ফোন দিবো কি না ভাবছি এমন সময় আব্বুর ফোন এসে হাজির ।
-কি খবর মা ? সব কিছু ঠিক ?
-হ্যা বাবা । অপারেশন হয়ে গেছে ।
-নিলয় কোথায় ?
-বাবা ওকে বলি নি ।
-সে কি ! কেন বল নি ?
-ছোট একটা অপারেশন ! পায়ের একটা আঙ্গুলের কাছে ছোট একটু অংশ কেটে বাদ দিতে হয়েছে ।
-তারপরেও । এভাবে একা একা যেতে আছে নাকি হাসপাতালে ! তুমি রাখো, আমি বলছি ওকে !
আমি কিছু বলতে পারলাম না । আমি চাইলেই বাবাকে বাঁধা দিতে পারতাম কিন্তু কেন জানি বলতে ইচ্ছে হল না । আমি যেন চাচ্ছিলাম যে নিলয় আসুক এখানে । এমনটা কেন মনে হল কে জানে !
ঐদিন নিলয়ের সাথে যখন বসে চা খাচ্ছিলাম আমার কেন জানি ভাল লাগছিলো । এভাবে আমি কোনদিন কারোর সাথে বসে চা খাই নি । আমার কিছু মেয়ে বন্ধু আছে ঠিকই তবে ছেলেদের সঙ্গ আমি সবসময় এড়িয়েই চলি । ছোটবেলার ঐ ঘটনার পর থেকে আমি সব ছেলের কাছ থেকে দূরেই থাকতাম । ঐদিন নিলয়ের সাথে এভাবে আমার চা খাওয়ার প্রথমদিন ছিল ।
আমার ভাবনাতে ছেদ পড়লো । ফোন এসে হাজির । নিলয় ফোন করেছে ।
-হ্যালো ।
-তুমি আমাকে বল নি কেন ?
-তুমি ব্যস্ত ছিলে !
-আশ্চর্য ! ব্যস্ত ছিলাম তো কি হয়েছে ? সময় বের করে নিতাম !
নিলয়ের স্বরে আমি উত্তাপ অনুভব করলাম । আমার উপর সে রাগ দেখাচ্ছে । আমার মন খারাপ হওয়ার কথা কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে আমার মন খারাপ লাগলো না । বরং ভাল লাগলো যেন একটু । নিলয় বলল,
-কোথায় আছো তুমি এখন ? কত নম্বর ফ্লোরে আছো ?
আমি বললাম,
-তুমি কোথায় ?
-আমি তোমার হাসপাতালের সামনে !
আমি বুঝতে পারলাম না যে ও এতো জলদি কিভাবে চলে এল ? সম্ভবত আশেপাশেই ছিল, তখনই আব্বু ওকে ফোন দিয়েছে । আমি ওকে ফ্লোর নাম্বার বললাম !
দশ মিনিটের মাথায় ও এসে হাজির হল । আমার দিকে তাকিয়ে রইলো কিছু সময় । তারপর বলল,
-কাজ কি শেষ এখানে ?
আমি মাথা ঝাঁকালাম !
-তাহলে চল !
আমি নিলয়ের কথা শুনে উঠে দাঁড়াতে গেলাম তখনই মুখ দিয়ে আবারও একটা অস্ফুট আওয়াজ বের হয়ে এল ! পায়ে চাপ পরেছে আবার ।
ব্যথা তো কমেই নি আরও যেন বেড়েছে। আমি বসে পড়াই আগেই দেখতে পেলাম নিলয় যেন বিদ্যুৎবেগে আমার কাছে চলে এল । আমাকে ধরে ফেলল। এতো দ্রুত যে ও প্রতিক্রিয়া দেখাবে আমি বুঝতে পারি নি। আমার মাথার ভেতরের ব্যথার অনুভূতির স্থানে জায়গা করে নিল তীব্র এক বিস্ময়। নিলয় আমার কাধে আর কোমরে হাত দিয়ে বসিয়ে দিল আমাকে। ব্যথার থেকেও অন্য কিছু একটা যেন আমার পুরো শরীরটাকে নাড়িয়ে দিল। এমন কিছু একটার অনুভূতি যে আমি কোনদিন অনুভব করবো সেটা ভাবতেই পারি নি কোনদিন।
নিলয় আমার দিকে না তাকিয়ে আমার পায়ের দিকে তাকিয়ে আছে। দেখার চেষ্টা করছে আসলে সেখান থেকে কোন রক্ত বের হয়েছে কি না।
আমাকে বলল,
-ব্যথা কি খুব বেশি?
আমার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হল না। হ্যা শব্দটুকু বলতেও যেন মুখের কথা জড়িয়ে যাচ্ছিলো।
আমি কোনমতে মাথা ঝাকালাম কেবল। নিলয় বলল,
-প্রেসক্রিপশনটা কোথায় দেখি ?
ব্যাগ থেকে আমি প্রেসক্রিপশনটা বের করে দিলাম । নিলয় সেটার দিকে তাকিয়ে বলল,
-তুমি এখানে বস আমি ঔষধগুলো নিয়ে আসি। একদম নড়বে না।
ও তারপর লিফটের দিকে হাটা দিল।
আমি আবারও একা একা বসে রইলাম। একটু আগে আমার সাথে কি হল আমি বুঝতেই পারলাম না। কি অদ্ভুতভাবে নিলয় আমার কাছে চলে এল ! আমি নিশ্চিত যে ও সচেতনভাবে কাজটা করে নি। স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।
ডাক্তার আপা ফিরে এলেন একটু পরেই। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,
-বাসায় যাবে কিভাবে ? ব্যথা কি বেড়েছে আরও ?
আমি একটু হাসলাম। তারপর বললাম,
-একটু বেড়েছে। তবে চিন্তা নেই সামলে নিবো। আমার হাসব্যান্ড এসেছে।
আমি খানিকটা অবাক হলাম এই কথা ভেবে যে হাজব্যান্ড কথাটা বলতে আমার মোটেও বাঁধলো না কিংবা আমি মোটেও লজ্জিত বা কুন্ঠিতবোধ করলাম না।
ডাক্তার শিউলী আমার দিকে একটু অবাক চোখেই তাকালেন । আমি বিবাহিত এটা সম্ভবত তিনি আশা করেননি। একটু হেসে বললেন,
-ওহ। তাহলে তো বেশ ভাল কথা। সে কোথায়?
-ঔষধ আনতে গেছে ।
-বেশ ।
আমি আরও কিছু বলতে যাচ্ছিলাম তার আগেই দেখলাম যে নিলয় লিফটের দরজা দিয়ে বের হয়ে আসছে । আমার চোখের দিকে তাকিয়ে ডাক্তার আপা দেখলাম নিলয়ের দিকে তাকালেন । তার চোখে আমি খানিকটা বিস্ময় দেখতে পেলাম । সম্ভবত আমার স্বামী হিসাবে অন্য কাউকে আশা করেছিলেন । অন্তত আরও বয়স্ক কাউকে । নিলয় প্রায় আমার সমান । এ বয়সে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়াটা খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার কিন্তু ছেলেরা স্বাধারণত এই বয়সে বিয়ে করে না ।
ডাক্তার আপা একটু অবাক হয়েই তাকিয়ে রইলেন নিলয়ের দিকে । কাছে আসতেই নিলয় বলল,
-চল, ক্যাব দাঁড়িয়ে রয়েছে ।
তারপর ডাক্তার শিউলীর দিকে তাকিয়ে বলল,
-ওকে কি নিয়ে যেতে পারি ?
-হ্যা হ্যা, নিয়ে যাও ।
-ভয়ের তো কোন কারণ নেই । তাই না ?
-না না । ভয়ের কোন কারণ নেই । ও ভাল আছে । একটু কাটার কারণে পায়ে ব্যথা করছে । দুতিন দিনের ভেতরেই ভাল হয়ে যাবে ।
-আচ্ছা ।
-শুনো, হুইল চেয়ার করে নিয়ে যাও ওকে । ঠিক আছে ! আমি চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি ।
এই বলেই ডাক্তার শিউলী ভেতরে চলে গেল । হুইল চেয়ার চলে এল একটু পরেই । নিলয় আমাকে সাহায্য করলো সেটাতে বসতে । আমার ভাল পা-টাতে দাঁড়িয়ে আমি হুইল চেয়ারে বসে পড়লাম । লিফট দিয়ে নেমে এলাম নিচে । ক্যাবটা একেবারে দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল । এক পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে চলতে চলতে আমি ক্যাবে উঠে বসলাম । তবে নিলয় আমাকে ধরে ছিল ।
পুরো রাস্তা নিলয় আমার দিকেই তাকিয়ে ছিল । মাঝেমধ্যে আমাকে বকাও দিচ্ছিলো । আমি কেন তাকে বললাম না ! আমার বাবা ওকে ফোন দিয়েছিলো । ও লজ্জায় পড়ে গিয়েছিলো । আমার পায়ে অপারেশন হবে, আর ও জানেই না । আমি চুাপচাপ শুনে যাচ্ছিলাম। কেন জানি আমার ভাল লাগছিলো ওর বকা শুনতে ।
ছোটবেলার একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল আমার । সেদিন আমার শরীরে জ্বর এসেছে । আমি বাসায় কাউকে বলি নি । চুপচাপ স্কুলে চলে গিয়েছি । কিন্তু স্কুলে গিয়ে অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেল । বাবাকে খবর দেওয়া হল । বাবা দৌড়ে গেল স্কুলে । আমার জ্বর শুনে জানতে চাইলো কখন থেকে জ্বর । আমি যখন বললাম সকাল থেকে তখন সে আমাকে খুব বকলো। বাবা আমাকে স্বাধারণত বকাবকি করতো না । যা বকতো মা-ই বকতো । বাবার বকা শুনলেই আমি কান্নাকাটি করতাম । কিন্তু সেদিন আমার কান্না আসে নি মোটেও । আমি বাবার কন্ঠে একটা অভিমান টের পাচ্ছিলাম । আমরা আমাদের আনন্দের কথা অনেককে বলি । কিন্তু দুঃখ আর কষ্টের কথ বলি কেবল কাছের মানুষগুলোর কাছে । আমি যে কষ্টে ছিলাম এটা আমি তাকে বলি নি । এটাতেই সে কষ্ট পেয়েছে । ঠিক একই আচরণ আমি নিলয়ের কাছ থেকেও পাচ্ছিলাম । মনের ভেতরে কি এক অদ্ভুত আনন্দবোধ যে হচ্ছিলো আমার !
ক্যাবটা আমার হলের সামনে এসে থামলো । ক্যাবের গেট থেকে যখন নামলাম তখন খানিকটা বিপদেই পড়ে গেলাম । আমার হলের সামনের ফুটপাথটা বেশ উঁচু । আমি এক পায়ে দাঁড়িয়ে কোনভাবেই এই ফুটপাথে উঠতে পারবো না । এক পায়ে ভর দিয়ে বেশি সময় আমি দাঁড়িয়েও থাকতে পারছি না । কি করবো বুঝতে পারছিলাম না । তখনই নিলয় একটা কাজ করে ফেলল ।
আগে কিছু সময় আমার দিকে তাকিয়ে রইলো । কিছু যেন ভাবছে । তারপর আমার হাতে ঔষধের প্যাকেটটা দিল । তারপর আমাকে তীব্রভাবে বিস্মিত করে দিয়ে কোলে তুলে নিল । এতোগুলো মানুষ রয়েছে চারিদিকে । সবাই আমাদের দিকে হা করে তাকিয়ে রইলো । আমি লজ্জায় শেষ হয়ে গেলাম । কিন্তু কি করবো, কিছু বলতে পারলাম না ।
নিলয় আমাকে কোলে নিয়েই গেটের ভেতরে ঢুকে পড়লো । মেয়েদের হলের গেটে ছেলেদের যাওয়ার নিয়ম নেই তবে দারোয়ান আমাদের আটকালো না । বিশেষ করে আমার পায়ে ব্যান্ডেজ দেখে যেতে দিল । একেবারে হলের ফটকের সামনে আমাকে বসিয়ে দিল ও । আমি বললাম,
-আমি এখান থেকে যেতে পারবো ।
-কিভাবে যাবে ? আমি কি আরেকটু এগিয়ে দিবো ?
-না না । দরকার নেই । আমি ফোন দিচ্ছি । কেউ এসে নিয়ে যাবে আমাকে ।
বেশি অপেক্ষা করতে হল না । নাহার আপু নিজেই নেমে এল । সাথে করে পাশের রুমের রুম্পা আপুকেও নিয়ে এল । আমাকে ধরে হাটতে সাহায্য করলো তারা ! লিফটের দরজা বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি পেছনে তাকিয়ে দেখলাম ও দাঁড়িয়েই আছে আমার দিকে তাকিয়ে !
রুমে এসে নাহার আপু বলল,
-বয়ফ্রেন্ড ? তোর যে বয়ফ্রেন্ড আছে বলিস নি তো ?
আমি লজ্জিত কন্ঠে বললাম,
-না আপু, বয়ফ্রেন্ড না !
-তাহলে ?
-হাসব্যান্ড !
-কি বলিস ! কবে হল ? তুই তো কাউকে কিছু বলিস নি !
-হঠাৎ করে হয়ে গেল আপু । এইবার বাসায় গিয়ে !
নাহার আপু সম্ভবত আরও কিছু জানতে চাইতো তবে আমার শরীর খারাপ বিধায় আর কিছু জানতে চাইলো না ।
রাতেরবেলা নিলয় বেশ কয়েকবার ফোন দিল আমাকে । আমি ঠিকমত খেয়েছি কি না, কোন অসুবিধা হচ্ছে কি না, ব্যথা হচ্ছে কি না সহ আরও নানান কথা ! আব্বুও ফোন দিয়ে খোঁজখবর জানতে চাইলো । নিলয় সবকিছু সামলেছে শুনে বেশ খুশিও হল। সবার শেষের ফোনটা এল আমার শ্বশুরমশাইয়ের কাছ থেকে । ফোন দিয়ে আমাকে প্রথমে কিছু সময় বকাবকি করলেন, এই রকমভাবে একা একা হাসপাতালে যাওয়ার জন্য । আমি যতই তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম যে এটা এমন কোন কিছুই না কিন্তু কে শোনা কার কথা ! ফোন রাখার আগে আমাকে বললেন আমি যেন কাপড়-চোপড় গুছিয়ে রাখি । সকালে নিলয় আসবে আমার হলের সামনে । আমাকে নিয়ে বাসায় চলে আসবে ।
আমি বলতে চাইলাম যে বাড়িতে যাওয়ার মত অসুস্থ আমি হই নি কিন্তু আরেকটা বড় ধমক শুনে আমি চুপ করে গেলাম । আমাকে যে বাসায় যেতেই হবে সেটা বুঝতে আর বাকি রইলো না ।
|
|
চলবে.....
