গল্পঃ ডিয়ার হোম মিনিষ্টার | পর্বঃ (৯)

 


আমরা তিনজনই মাথা নিচু করে বেশ কিছুটা সময় বসে রইলাম । তারপর আর কোন গুলির আওয়াজ আসে নি । পাঁচটা মিনিট কেটে গেল এভাবেই ।


হৃদির বাসাটা শহর থেকে অনেকটাই দুরে । বসিলা ব্রিজ থেকে অনেকটা সময় ড্রাইভ করে তারপর আসতে হয় । এর ঠিক পাশ দিয়েই বুড়িগঙ্গার একটা শাখা চলে গেছে । একটু দুরে কিছু দোকানপাঠ আছে তবে রাত হলেই সেসব বন্ধ হয়ে যায় । জায়গাটা বেশ নির্জন হয়ে যায় । গুলির আওয়াজ শুনে কেউ চলে এাসবে এমন ভয় নেই ।


জায়েদ আমান সেটা জানে ভাল করেই । আর নিশ্চয়ই আসার সময় সে এমন ব্যবস্থা করেই এসেছে যেন কোন থার্ড পার্টি না চলে আসে । কিন্তু জায়েদ আমান আমাদের এই অবস্থান জেনে যাচ্ছে কিভাবে ? এটাই আমি ঠিক বুঝতে পারছি না ।


আমি এমনটা ভাবছি ঠিক এমন সময় গুলি শুরু হল । জানলার কাঁচ ভেঙ্গে পড়তে শুরু করলো । আমি নিকিতাকে জড়িয়ে মাথা নিচু করে কিছু সময় মেঝের সাথে মিসে থাকার চেষ্টা করলাম । ঠিক সেই সময় হৃদির ছোঁয়া পেলাম । আমরা দুজনেই ওর দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলাম ।


হৃদির হাতে একটা শটগান দেখতে পেলাম । অন্য হাতে আরও দুইটা রিভালবার !


এই মেয়ে এই সব পেলে কোথায় ? আমি খানিকটা অবাক হয়েই বললাম, তুমি এসব পেলে কোথায় ?


নিকিতা বলল, তুমি ওকে যতখানি নিরীহ মেয়ে ভেবে এসেছো সে ততটা নিরীহ নয় । বুঝতে পেরেছো ?


হৃদির সেই কথার জবাব দিল না । শটগানটা আমার দিকে বাড়িয়ে দিল । তারপর পিস্তলের একটা দিল নিকিতার দিকে । তারপর বলল, ওদেরকে বাসার ভেতরে ঢুকতে দেওয়া যাবে না । এই বাসায় সামনে একটা দরজা আছে । আর পেছনে একটা । এই দরজা ছাড়া ওরা কোন ভাবেই ঢুকতে পারবে না ।


নিকিতা বলল, পেছনের দিক দিয়ে বের হওয়ার উপায় নেই ?


-ওরা দুইদিকেই কাভার করবে নিশ্চিত ! আপাতত দরজা বাঁচাই । ওরা ভেতরে ঢুকতে না পারলে কিছু করতে পারবে না । সাহায্যের জন্য করতে হবে !


গোলাগুলি একটু কমলেই আমরা হামা গুড়িয়ে দিয়ে জানালার কাছে চলে গেলাম । একটু মাথা তুলে দেখার চেষ্টা করলাম সামনের দিকে দেখার চেষ্টা করলাম । অন্ধকারের মধ্যে কাউকেই দেখতে পেলাম না । ঠিক তখনই আমার মাথার উপর দিয়ে একটা গুলি চলে গেল । আমি সাথে সাথেই মাথা নিচু করে ফেললাম । তারপর শটগানের নলটা জানালার দিকে ট্রিগার চেপে দিলাম ।


আমার দেখা দেখি নিকিতা আর হৃদিও ঠিক একই কাজ করলো । আমরা কাউকে দেখতে পাচ্ছিলাম না কেবল যেদিক থেকে গুলি এসেছে সেদিক লক্ষ্য করে গুলি করে দিচ্ছিলাম ।


জানি এতে প্রতিপক্ষের কোন ক্ষতি হবে না । ওদের শরীরে কোন গুলি লাগবে না । তবে একটা কাজ হল যে ওপাশ থেকে গুলি আশা বন্ধ হয়ে গেল । আমরাও গুলি করা বন্ধ করলাম কিছু সময়ের জন্য ! তারপর আর গুলির আওয়াজ শোনা গেল না । সম্ভবত ওরা আশা করে নি যে আমরাও গুলি চালাবো । এই জন্য ওরাও খানিকটা দ্বিধান্বিত হয়ে গেছে ।


তারপরই আমরা জায়েদ আমানের কন্ঠ শুনতে পেলাম !


"নিকিতা আমি জানি তুমি ভেতরে আছো !"


আমি এবার খানিকটা অবাক হলাম । নিকিতার দিকে তাকিয়ে মনে হল ও নিজেও অবাক হয়েছে । নিকিতা যে এখন দেশে আছে সেটা সত্যই মানুষের জানার কথা না । তাহলে জায়েদ আমান কিভাবে জানলো ?


জায়েদ আমানের কন্ঠস্বর শোনা গেল আবার !


আমি এই বাড়ির চারিদিকে পেট্রল ঢেলে দিচ্ছি । যদি আগামী ১০ মিনিটের মধ্যে যদি বাইরে না আসো তাহলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে চলে যাবো । যাওয়ার আগে নিশ্চিত করে যাবো যেন তোমরা বের হতে না পারো !


নিকিতার দিকে তাকিয়ে দেখলাম ও খানিকটা চিন্তিত মুখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে । জায়েদ আমান কি সত্যই এই কাজটা করতে যাচ্ছে ? নিকিতা যে এই দেশে আছে তা কেউ জানে না । যদি এখন নিকিতাকে সে মেরে ফেলে তাহলে জায়েদ আমানের সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে । তার সকল প্রতিশোধ নেওয়া হয়ে যাবে । এবং কেউ সেটা জানতেও পারবে না ।


কিন্তু ও কি সাহস করবে ?


আমি আর কিছুই চিন্তা করতে পারছিলাম না । এতোটা সময় আমি কেবল আমাকে নিয়ে চিন্তা করছিলাম । ভাবছিলাম সব বুঝি আমার পেছনেই লেগে আছে । কিন্তু এখন আমি নিজেরটা সহ নিকিতার জীবনটাও বিপদে ফেলে দিয়েছে । নিজের উপর রাগ লাগতে শুরু করলো আমার ! কি দরকার ছিল এমন টা করার ?


যদি নওরিনের সাথে আমি কোন না কথা বলতাম তাহলে এতো কিছুর শুরু হত না ।


আমি বললাম, সব আমার দোষ ! সব ! তুমি এখানে থাকো ! আমি বের হই । আমার সাথে যা করার করবে ওরা ! আমাকে মেরে ফেলুক !


নিকিতা বলল, তোমার কোন দোষ নেই । ওরা তোমাকে ফাঁসিয়েছে ! তুমি কোন অন্যায় কর নি !


-কিন্তু সব তো আমার কারনেই হচ্ছে ।


-উহু ! তোমার কারনে নয়, আমার কারনে !


পেছনে থেকে হৃদি বলল, আপনাদের রোমান্টিক কথোপকথন শেষ হলে ঠিক করে নিন কি করবেন ?


নিকিতা বলল, আমি বাইরে যাচ্ছি । তুমি এখানে থাকো !


আমি সাথে সাথে বলল মোটেই না । বাইরে গেলে আমরা দুইজনই যাবো !


হৃদি আবারও পেছন থেকে বলল, তোমার যাওয়ার কারন দেখছি না । কেবল উনাকেই তো যেতে বলেছে !


আমি কঠিন কিছু বলতে গিয়েও বললাম না । নিকিতার হাত ধরে উঠে দাড়ালাম । তারপরঝাটা দিলাম বাইরের দিকে ।


আমরা বাইরে এসে দাড়াতেই আবারও জায়েদ আমানের কন্ঠস্বর শুনতে পেলাম । "হাতের অস্ত্র গুলো ফেলে দাও"


তাই করলাম । তারপর দেখলাম জায়েদ আমান অন্ধকার থেকে বের হয়ে এল । তার পেছনে আরও তিনজন বের হয়ে এল । এর ভেতরে দুইজনকে আমি চিনতে পারলাম । আমাকে প্রথমবার যখন ধরে নিয়ে যায় তাদের ভেতরে এরা ছিল ।


জায়েদ আমান মুখে একটা হাসি নিয়ে আমাদের দিকে এগিয়ে এল । নিকিতার সামনে এসে দাড়ালো । বলল, দেখেছো ভালবাসা আজকে তোমাকে কোথায় নিয়ে এসে দার করিয়েছে ? সেদিন যদি আমার প্রস্তাবে রাজি হতে তাহলে আজকে তোমার থেকে ক্ষমতাবান আর কেউ হত না ।


নিকিতা বলল, আমার থেকে ক্ষমতাবান এখনও কেউ নেই !


খুব যেন মজা পেয়েছে এমন একটা ভাব করে জায়েদ আমান হোহো করে হেসে উঠলো । আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না জায়েদ আমান কোন প্রস্তাবের কথা বলছে । আমি নিকিতাকে বলল, কোন প্রস্তাবের কথা বলছে ও ?


নিকিতা বলল, আর বল না । তোমার আগে এই পাবলিক আমার পেছনে পাগল কুকুরের মত ঘুরে বেরিয়েছিলো । মাঠে আমার সাথে টিকতে না পেরে আমাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলো ! কিছু বাঙালী পুরুষকে তো চেনোই ! তারা ভাবে যে মেয়েদের স্থান কেবল ঘরে, রান্না ঘরে । রাজনীতিতে ওরা কি করবে !


দেখলম জায়েদ আমানের মুখ থেকে হাসি মুছে গেল । সে এবার খানিকটা ঠান্ডা কন্ঠে বলল, তোমাকে এবার আমি হাতের মুঠোই পেয়েছি । তোমাকে এখানে আমি খুন করবো । তারপর তোমার লাশ চলে যাবে আমেরিকাতে । সেখানে তুমি যে মাউনটেইন ট্রিপে গিয়েছো বলে প্রিটেন্ড করছো সেখানেই তোমার লাশ ফেলে আসবো । সবাই ভাবতে ওখানেই মরেছো তুমি ! সবাই শোক পালন করবে ! মজার হবে না ব্যাপার টা !


নিকিতা বলল, তোমার কি মনে হল আমি এখানে আছি কেউ জানে না ? এতোটা বোকা আমি না ! আসার আগে স্বয়ং প্রাইম মিনিস্টারকে আমি জানিয়ে এসেছি ।


জায়েদ আমান বলল, মিথ্যা কথা । ইউ আর ব্লাফিং !


-ইউ উইস ! তুমি আমাকে এতো দিন ধরে চেন অথচ আমার কাজ কর্ম সম্পর্কে তোমার কোন ধারনাই নেই । এই জন্যই তুমি কখনও আমার আগে যেতে পারবে না !


আমি নিকিতার খুব কাছেই ছিলাম দাড়িয়ে । তখনই অনুভব করলাম ওর পকেটে ওর ফোনটা ভাইব্রেট করে উঠলো । একবার দুইবার তারপর একটু বিরতি দিয়ে আবার !


নিকিতার অঙ্গভঙ্গি সাথে সাথেই বদলে গেল । সে জায়েদ আমানের দিকে তাকিয়ে বলল, আমি তোমাকে একটা ডিল অফার করি ! আমি জানি তুমি এসবের পেছনে নেই । অপুকে ঝামেলাতে তুমি ফেলেনি । তুমি কেবল সিনের মাঝে চলে এসেছো কিংবা তোমাকে নিয়ে আসা হয়েছে । আমি তোমাকে এখান থেকে চলে যাওয়ার একটা সুযোগ দিচ্ছি । তবে ....


-তবে ?


-তুমি আমাকে বল যে অপুকে পেছন থেকে কে গুলি করেছিলো ?


জায়েদ আমান আবারও খানিকটা হাসলো । তারপর বলল, তোমার কি সত্যিই মনে হচ্ছে যে তুমি কোন নেগোসিয়েশনের অবস্থায় আছো ?


নিকিতা ঠান্ডা গলাতে বলল, জায়েদ বিলিভ মি দিস ইজ ইরোর লাস্ট চান্স !


নিকিতার কন্ঠে কিছু একটা ছিল যা আমি টের পেলাম । এই মেয়ে এমন পরিস্থিতিতেও এতো শান্ত কিভাবে থাকতে পারে !


কিভাবে ! দেখলাম জায়েদ আমানের পেছনের একজন লোক সামনে এগিয়ে এল কিছুটা ! বলল, আমি চালিয়েছি !


নিকিতা নিজের খালি হাতটা ঐ লোকটার দিকে তুলল । অনেকটা পিস্তল ধরার মত করে ! তারপর, ইউ !!


তারপর কিছু সময় কেটে গেল এক ভাবেই । নিকিতা তারপর মুখ দিয়ে উচ্চারন করলো, রেডি ! ওয়ান , টু ...। থ্রি ! ঠুস !


তারপরেই সব থেকে অবাক করা ঘটনা ঘটলো । নিকিতা ঠুস বলার সাথে সাথেই বাতাস কেটে কিছু আসার আওয়াজ পেলাম আমি । কেবল আমি নই সবাই পেয়েছে । দেখলাম জায়েদ আমানের দুই পাশে দুই পিস্তল ধারী সাথে সাথে মাটিতে পড়ে গেল । কেউ ওদের গুলি করেছে !


স্নাইপার দিয়ে !


জায়েদ আমান কেবল বিস্ফারিত চোখে সেদিকে তাকিয়ে রইলো কিছুতেই যেন ওর নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না । মুহুর্তের মাঝে কি হয়ে গেল সেটা ও বুঝতেই পারছে না ।


নিকিতা এখনই নিজের হাতটা পিস্তল ধরার মত করে ধরে রেখেছে লোকটার দিকে । তাকে উদ্দেশ্য করেই বলল, নড়ার চেষ্টা করো না একদম । পরের গুলিটা তোমার শরীরেই লাগবে ! পিস্তল ফেলে দিল । লোকটা আর কোন কথা না বলে পিস্তলটা সমানে ফেলেদ দিল ।


তারপরই আমি দেখতে পেলাম আমাদের বাড়ির পেছন থেকে নীতু বের হয়ে আসছে । মেয়েটার হাতে একটা স্নাইপার রাইফেল ! মেয়েটা ঠিক সময়ে এসে হাজির হয়েছে । বুঝতে পারলাম নিকিতার ফোন ভাইব্রেট হওয়াটা একটা সংকেত ছিল । জায়েদের দিক থকেে চোখ না সরিয়ে নিকিতা নীতুকে বলল, গুড জব নীতু !


নীতু হাসলো । তারপর বলল, মাই প্লেজার !


-রবি কোথায় ?


-এখানে ম্যাম !


আমি মাথা তুলে তাকিয়ে দেখি বাড়ির ছাদের উপর একটা ছেলে স্নাইপার রাইফেল তাক করে রয়েছে এদিকে !


নিকিতা এবার জায়েদ আমানের দিকে তাকিয়ে বলল, তুমি যদি ভেবে থাকো বাড়ির পেছনে থাকা তোমার লোক তোমাকে রক্ষা করতে আসবে তাহলে তোমাকে বলি যে ওরা আগেই উপরে চলে গেছে । যাই হোক তোমাকে একটা শেষ সুযোগ দেই !


নিকিতা কিছু সময় চুপ থেকে বলল, পিস্তলটা হাতে নাও !


মাটিতে পড়ে থাকা পিস্তলের দিকে ইঙ্গিত করে বলল । জায়েদ আমানকে খানিকটা দ্বিধান্বিত দেখালো । নিকিতা বলল, এই পিস্তলটা নাও । তারপর তোমার এই লোকটাকে গুলি কর ! এখান থেকে তোমাদের কেবল একজন জীবিত ফেরৎ যাবে ! হয় তুমি নয়তো সে ! এখন ওকে আমি মারবো না । তবে ও যদি পালিয়ে যায় তাহলে রবি তোমাকে স্যুট করে দিবে । এবং বিলিভ মি আমি তোমার অনাকাঙ্খিত মৃত্যুকে ঠিক ঠিক সামলে নিবো । আর আমি তো দেশে নেই ই । আমার এই কাজে হাত থাকবে না ! তাই !


কয়েক মুহুর্ত কেউ কোন কথা বলল না । লোকটা যখন বুঝতে পারলো যে ওর বিপদ আসন্ন তখন ঘরে দৌড় দিতে লাগলো । তখনই জায়েদ আমান মাটিতে থাকা পিস্তলটা হাতে নিলো এবং লোকটাকে গুলি করে দিলো ।


নিকিতা এবার সামনে এগিয়ে গেল । জায়েদকে দেখে মনে হচ্ছে যেন পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে । এভাবে মানুষকে গুলি করা চারটিখানিক করা নয় । তার উপর যদি এভাবে কাউকে যদি বাধ্য করা হয় !


নিকিতা ওর হাত থেকে পিস্তলটা নিতে নিতে বলল, ঐ দেখো নীতুর দিকে তাকিয়ে !


আমিও তাকিয়ে দেখলাম । নীতুর হাতে একটা একশান ক্যামেরা । সেটা দিয়ে সে সম্পূর্নটা ভিডিও করে নিয়েছে ।


নিকিতা বলল, ভয় পেও না । আমি এই ভিডিও কোন দিন সামনে আনবো না যতদিন তুমি তোমার লাইন ক্রস না করবে ! রাজনীতির মাঠে তুমি আমাকে শক্ত ফাইট দিতে পারো আমার কোন আপত্তি নেই কিন্তু এরপরে যদি এই রকম কোন কাজ কর তাহলে ঐদিনই তোমার শেষ দিন ।


জায়েদ আমানের চেহারা দেখার মত হল । বেচারার দিকে তাকিয়ে আমার নিজেরই মায়া লাগতে শুরু করলো । সে কি ভেবে এখানে এসেছিল আর কি থেকে কি হল ! নিকিতা এবার জায়েদের দিকে তাকিয়ে বলল, এখন এইখানের পরিস্থিতি তুমি সামলাও । আমি চলে যাচ্ছি । আর আমাকে বল আমি যে দেশে এসেছি, এখানে আছি, এটা তোমাকে কে বলেছে ?


জায়েদের দিকে তাকিয়ে মনে হল ও যেন শকের মধ্যে আছে । কথা যেন ঠিক মত বুঝতে পারছে না ।


নিকিতা এবার খানিকটা ধমকের সুরে বলল, কি হল ? জবাব দিচ্ছো না কেন ?


-জানি না । একটা প্রাইভেট নাম্বার থেকে মেসেজ এসেছে দুইবার !


-নাম্বার খোজার চেষ্টার করনি ?


-এই দেশের না । নয়তো প্রোক্সি ব্যবহার করে পাঠানো ! বের করতে পারি নি ।


আর কোন কথা হল না । জায়েদকে ওভাবে দার করিয়ে রেখেই আমরা বের হয়ে এলাম । মনে পড়লো এখনও আবিদ রায়হানকে খুজে বের করতে হবে ! আসল কাহিনী তার কাছেই রয়েছে!

|

|

চলবে....

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url